দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভূমধ্যসাগর উপকূলে মিসরের দামিয়েত্তা বন্দরে গ্যাস সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে ব্যবহৃত দুটি জাহাজে আগুন লাগার ঘটনায় প্রাথমিক তদন্তে ড্রোন হামলার প্রমাণ মিলেছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
বুধবার মিসরের তেল মন্ত্রণালয় জানায়, গ্যাস সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে ব্যবহৃত দুটি জাহাজে আগুন লাগলেও জরুরি পরিকল্পনা ও দ্রুত সাড়া দেওয়ার ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
বৃহস্পতিবার সকালে মিসরের মন্ত্রিসভা এক বিবৃতিতে জানায়, ২০২৬ সালের ২৯ জুলাই দামিয়েত্তা বন্দরে দুটি জাহাজে আগুন লাগার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, ঘটনাটি একটি ড্রোনের কারণে ঘটেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এ ঘটনার দায় স্বীকার করেনি।
সরকার আরও জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি নির্ধারণ এবং মিসরের স্বার্থ ও জাতীয় নিরাপত্তা সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
ব্রিটিশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান অ্যামব্রে বুধবার জানায়, দামিয়েত্তা বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানাধীন ও পরিচালিত, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী একটি ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সংরক্ষণকেন্দ্রে বিস্ফোরণ ঘটে। পরে জাহাজের নাবিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
অন্যদিকে সামুদ্রিক নৌপরিবহন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ইনচকেপও পৃথক এক বিবৃতিতে জানায়, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস টার্মিনালে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে বন্দরের অন্যান্য জেটি ও টার্মিনালে রাতের মধ্যেই কার্যক্রম পুনরায় চালুর আশা করা হচ্ছে।
এ ঘটনা ঘটে এমন এক সময়, যখন পাঁচ রাতের বিরতির পর যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী আবারও ইরানে হামলা শুরু করে।
এর আগে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্যবস্তু হওয়ার পর এবং ইরাকে তেহরান-সমর্থিত একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের যৌথ হামলায় অন্তত ২০ যোদ্ধা নিহত হওয়ার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে ‘কঠোর হামলা’ চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
বিভিন্ন ফ্রন্টে নতুন করে এসব হামলার মধ্য দিয়ে কয়েক দিনের তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতির অবসান ঘটেছে।
এর আগে চলতি সপ্তাহেই ১৩ দিন ধরে বোমাবর্ষণের পর যুক্তরাষ্ট্র কূটনীতির সুযোগ করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ইরানে হামলা হঠাৎ বন্ধ করেছিল বলে মার্কিন কর্মকর্তারা দাবি করেছিলেন।
সূত্র: আল-জাজিরা
/অ